সজল ঘোষ, আন্দুল | ২৭ জুলাই ২০২৬
মাত্র সাত বছর বয়সে দুর্গাপুরে নৃত্যচর্চার হাতেখড়ি প্রীতমের। ছোটবেলা থেকেই নাচ তাঁর কাছে শুধু বিনোদন নয়, আত্মপ্রকাশ, আত্মবিশ্বাস এবং আনন্দের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায় ও কঠোর অনুশীলনের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের প্রতিভাকে আরও পরিণত করে তুলেছেন তিনি।
২০০৬ সালে বাবা-মায়ের চাকরিসূত্রে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন প্রীতম। শহর বদলালেও নৃত্যের প্রতি তাঁর ভালোবাসায় কোনও ছেদ পড়েনি। কলকাতায় এসেও নিয়মিত অনুশীলন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং মঞ্চে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে চলেছেন তিনি।
ইতিমধ্যে কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক মঞ্চে নৃত্য পরিবেশন করেছেন প্রীতম। তাঁর পারফরম্যান্সের সাক্ষী থেকেছে শিশির মঞ্চ, রবীন্দ্র সদন, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, সল্টলেকের ওকাকুরা ভবন, মোহিত মঞ্চ-সহ একাধিক সম্মানীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চ।
প্রীতমের নৃত্যজীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার ড. শান্তনু গুহঠাকুরতার সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা। গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬, কলকাতার মিডলটন চেম্বারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ড. শান্তনু গুহঠাকুরতার উপস্থিতিতে প্রথম রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন প্রীতম। এই সাফল্য তাঁর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রীতমের এই পথচলায় রয়েছে পরিবারের সহযোগিতা, নিরন্তর অনুশীলন এবং মঞ্চের প্রতি গভীর ভালোবাসা। তাঁর সাফল্য প্রমাণ করে, প্রতিভার পাশাপাশি নিয়মিত চর্চা, ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাসই একজন শিল্পীকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।
আগামী দিনে আরও বড় মঞ্চে সাফল্য অর্জন করে নিজের প্রতিভার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবেন প্রীতম—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
