সুরভী মুখার্জী | বাকসাড়া | ১৬ আগস্ট ২০২৬
বাকসাড়ার নতুন নবনারী তলায় নবনারী পুজো উপলক্ষে শেষ সন্ধ্যার আরতি অনুষ্ঠিত হল ভক্তি ও ধর্মীয় আবহের মধ্য দিয়ে। সন্ধ্যার আরতিকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আরতির সময় ধূপ-ধুনোর গন্ধ, ঘণ্টাধ্বনি ও ভক্তিগীতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নবনারী তলায় এই পুজো বাকসাড়ার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। পুজোর বিভিন্ন পর্বে স্থানীয় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ দেখা যায়। শেষ সন্ধ্যার আরতিও সেই ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হয়ে ওঠে।
সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মন্দির চত্বরে ভক্তদের সমাগম বাড়তে থাকে। নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সন্ধ্যার আরতি। প্রদীপ ও ধূপ-ধুনোর আলোয় মন্দির প্রাঙ্গণ এক বিশেষ আবহ ধারণ করে। উপস্থিত ভক্তরা শ্রদ্ধার সঙ্গে আরতিতে অংশ নেন এবং দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন।
স্থানীয়দের কাছে নবনারী পুজো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এলাকার ঐতিহ্য, মানুষের আবেগ এবং সামাজিক মিলন। পুজো উপলক্ষে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসে অংশ নেন। ফলে কয়েক দিনের এই ধর্মীয় আয়োজনকে ঘিরে বাকসাড়ায় তৈরি হয় উৎসবের পরিবেশ।
শেষ সন্ধ্যার আরতিকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল বিশেষ আবেগ। পুজোর সমাপ্তি পর্বে অনেকেই পরিবারের মঙ্গল, সুস্থতা ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন। আরতির পর ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থাও করা হয়।
বাকসাড়ার নতুন নবনারী তলার এই সন্ধ্যার আরতি ফের মনে করিয়ে দিল এলাকার প্রাচীন ধর্মীয় সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের কথা। পুজোর আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষ হলেও ভক্তদের মনে রয়ে গেল দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের আবেগ।
